ঢাকা ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আদালতকে হয়রানী করায় ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধানকে জরিমানা

Oplus_131072

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আদালতকে হয়রানী করার অভিযোগে আলোচিত ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। গতকাল ১৬ মে বৃহস্পতিবার সকালে ৮জন মহামান্য বিচারপতি এই আদেশ প্রদান করেন। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারছেন না।

আইনজীবী ব্যারিষ্টার নাহিম হোসেন জানান, দ্বিতীয়ধাপে আয়োজিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধান। কিন্ত দুদকের করা মামলায় ৮ বছরের সাজাভোগের কারনে তার প্রার্থীতা বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন। পরে তিনি রিভিও আবেদন করলে হাইকোর্টের আপিল ডিভিশন তার প্রার্থীতা বহাল রাখে। পরবর্তিতে নির্বাচন কমিশন ও একজন প্রার্থীর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার ডিভিশন ওই আদেশের উপর স্থিতি অবস্থা জারি করেন। যে কারনে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হয়ে পড়েন ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধান। পরে তিনি ফুল বেঞ্চে রিভিও আবেদন করলে গতকাল ১৬মে বৃহস্পতিবার শুনানীর দিন ধার্য্য করে আদালত। কিন্তু তার আইনজীবী বৃহস্পতিবার শুনানী না করার জন্য লিখিত আবেদন করলে বিচার বিভাগকে হয়রানী করার অভিযোগে দু’টি আবেদনের বিপরিতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে হাইকোর্টের ফুলবেঞ্চ। পরে সেলিম প্রধানের আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই অর্থদন্ড কমিয়ে আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা বহাল রাখে এবং পরবর্তিতে আদালতকে এ ধরনের হয়রানী না করতে তাকে সতর্ক করা হয়।
জানা গেছে, সেলিম প্রধান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় চার বছর সাজাও খেটেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি গ্রেফতারও হয়েছিলেন। অনলাইন ক্যাসিনোর মূল হোতা সাজাপ্রাপ্ত সেলিম প্রধান।
২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডগামী বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে নামিয়ে এনে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তাঁকে নিয়ে তাঁর অফিস ও বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সমপরিমাণ ২৩টি দেশের মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, ১৩টি ব্যাংকের ৩২টি চেক, ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে। হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইনে তাঁকে ছয় মাসের কারাদন্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে দু’টি মামলা হয়।
অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার হোতা সেলিম প্রধানের নামে বেনামে প্রায় শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেলিমের ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ পেয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান এ মামলা করেন। থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসা চালিয়ে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে ক্যাসিনো মার্কেট পি-২৪ লিমিটেড নামে গেমিং কোম্পানি গঠন করেন সেলিম।
সেলিম প্রধান রূপালী ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ঋণখেলাপি হয়েছেন। অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অন্যান্য অনৈতিক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রতি মাসে অন্তত ১০০ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশে পাচার করেছেন।
সেলিম প্রধানের ২০১৮-২০১৯ করবষের্র আয়কর নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাঁর নিজ নামে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬১৮ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে কোম্পানির পরিচালক হিসেবে শেয়ারে বিনিয়োগ ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা, এফডিআর বিনিয়োগ ৬ কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার, সঞ্চয়পত্র কেনায় ব্যয় ৭৬ লাখ ৬২ হাজার এবং হাতে নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত হিসেবে ঘোষিত ৬ লাখ ২৮ হাজার ৬১৮। এই টাকা অর্জনের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া তাঁর ২০ লাখ টাকা স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। বিএফআইইউ থেকে পাওয়া রেকর্ডে তাঁর বিভিন্ন ব্যাংকে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ১৩৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়, যা তিনি আয়কর নথিতে উল্লেখ করেননি। সব মিলিয়ে সেলিমের ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বৈধ আয়ের উৎস নেই।
প্রথমে সেলিম প্রধান বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো চালু করেন। তিনি গুলশান ও বনানীতে পি-২৪ এবং টি-২১ অনলাইন নামে অনলাইনে ভিডিও গেম খেলার প্লাটফর্ম চালু করেন। ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর সেগুলোকে অনলাইন ক্যাসিনোয় রূপান্তর করেন। ওই অনলাইন ক্যাসিনোর প্রধান কেন্দ্র ছিল ফিলিপাইনে।
সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ছাড়াও ঢাকার গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা হয়। বিচারাধীন এসব মামলায় জামিনে রয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল দুদকের করা মামলার রায় দেন বিচারিক আদালত। তাতে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের দুই ধারায় সেলিম প্রধানকে চার বছর করে কারাদন্ড দেন আদালত। ইতিমধ্যে তাঁর সাজাভোগ শেষ হওয়ায় এবং বাকি মামলায় জামিন পাওয়ায় গত বছরের অক্টোবরে মুক্তি পান তিনি। সাজার বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে যে আপিল করেছেন, সেটা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার তাজাল্লী ইসলাম বলেন, এবারের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪২টি। পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ৫১ জন, মহিলা ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৫৫৪জন ও হিজড়া ২ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৬০৭ জন। ২১মে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি নদীপাড়ে আতঙ্ক বিরাজ

আদালতকে হয়রানী করায় ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধানকে জরিমানা

Update Time : ১২:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আদালতকে হয়রানী করার অভিযোগে আলোচিত ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। গতকাল ১৬ মে বৃহস্পতিবার সকালে ৮জন মহামান্য বিচারপতি এই আদেশ প্রদান করেন। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে পারছেন না।

আইনজীবী ব্যারিষ্টার নাহিম হোসেন জানান, দ্বিতীয়ধাপে আয়োজিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধান। কিন্ত দুদকের করা মামলায় ৮ বছরের সাজাভোগের কারনে তার প্রার্থীতা বাতিল করেন নির্বাচন কমিশন। পরে তিনি রিভিও আবেদন করলে হাইকোর্টের আপিল ডিভিশন তার প্রার্থীতা বহাল রাখে। পরবর্তিতে নির্বাচন কমিশন ও একজন প্রার্থীর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে চেম্বার ডিভিশন ওই আদেশের উপর স্থিতি অবস্থা জারি করেন। যে কারনে নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য হয়ে পড়েন ক্যাসিনোকান্ডের সেলিম প্রধান। পরে তিনি ফুল বেঞ্চে রিভিও আবেদন করলে গতকাল ১৬মে বৃহস্পতিবার শুনানীর দিন ধার্য্য করে আদালত। কিন্তু তার আইনজীবী বৃহস্পতিবার শুনানী না করার জন্য লিখিত আবেদন করলে বিচার বিভাগকে হয়রানী করার অভিযোগে দু’টি আবেদনের বিপরিতে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে হাইকোর্টের ফুলবেঞ্চ। পরে সেলিম প্রধানের আইনজীবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই অর্থদন্ড কমিয়ে আদালত ১০ হাজার টাকা জরিমানা বহাল রাখে এবং পরবর্তিতে আদালতকে এ ধরনের হয়রানী না করতে তাকে সতর্ক করা হয়।
জানা গেছে, সেলিম প্রধান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় চার বছর সাজাও খেটেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তিনি গ্রেফতারও হয়েছিলেন। অনলাইন ক্যাসিনোর মূল হোতা সাজাপ্রাপ্ত সেলিম প্রধান।
২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডগামী বিমানের একটি ফ্লাইট থেকে নামিয়ে এনে সেলিম প্রধানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তাঁকে নিয়ে তাঁর অফিস ও বাসায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ ৫ হাজার ৫০০ টাকা, ৭৭ লাখ ৬৩ হাজার টাকার সমপরিমাণ ২৩টি দেশের মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, ১৩টি ব্যাংকের ৩২টি চেক, ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, একটি বড় সার্ভার, চারটি ল্যাপটপ ও দুটি হরিণের চামড়া উদ্ধার করা হয়েছে। হরিণের চামড়া উদ্ধারের ঘটনায় বন্য প্রাণী সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইনে তাঁকে ছয় মাসের কারাদন্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে দু’টি মামলা হয়।
অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসার হোতা সেলিম প্রধানের নামে বেনামে প্রায় শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে সেলিমের ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ পেয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান এ মামলা করেন। থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসা চালিয়ে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে ক্যাসিনো মার্কেট পি-২৪ লিমিটেড নামে গেমিং কোম্পানি গঠন করেন সেলিম।
সেলিম প্রধান রূপালী ব্যাংক থেকে ১০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ঋণখেলাপি হয়েছেন। অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অন্যান্য অনৈতিক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে প্রতি মাসে অন্তত ১০০ কোটি টাকা বিভিন্ন দেশে পাচার করেছেন।
সেলিম প্রধানের ২০১৮-২০১৯ করবষের্র আয়কর নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাঁর নিজ নামে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬১৮ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে কোম্পানির পরিচালক হিসেবে শেয়ারে বিনিয়োগ ৪ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা, এফডিআর বিনিয়োগ ৬ কোটি ১২ লাখ ১৫ হাজার, সঞ্চয়পত্র কেনায় ব্যয় ৭৬ লাখ ৬২ হাজার এবং হাতে নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত হিসেবে ঘোষিত ৬ লাখ ২৮ হাজার ৬১৮। এই টাকা অর্জনের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া তাঁর ২০ লাখ টাকা স্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। বিএফআইইউ থেকে পাওয়া রেকর্ডে তাঁর বিভিন্ন ব্যাংকে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ১৩৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়, যা তিনি আয়কর নথিতে উল্লেখ করেননি। সব মিলিয়ে সেলিমের ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যার পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বৈধ আয়ের উৎস নেই।
প্রথমে সেলিম প্রধান বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনো চালু করেন। তিনি গুলশান ও বনানীতে পি-২৪ এবং টি-২১ অনলাইন নামে অনলাইনে ভিডিও গেম খেলার প্লাটফর্ম চালু করেন। ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর সেগুলোকে অনলাইন ক্যাসিনোয় রূপান্তর করেন। ওই অনলাইন ক্যাসিনোর প্রধান কেন্দ্র ছিল ফিলিপাইনে।
সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ছাড়াও ঢাকার গুলশান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইনে তিনটি মামলা হয়। বিচারাধীন এসব মামলায় জামিনে রয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের ৩০ এপ্রিল দুদকের করা মামলার রায় দেন বিচারিক আদালত। তাতে অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের দুই ধারায় সেলিম প্রধানকে চার বছর করে কারাদন্ড দেন আদালত। ইতিমধ্যে তাঁর সাজাভোগ শেষ হওয়ায় এবং বাকি মামলায় জামিন পাওয়ায় গত বছরের অক্টোবরে মুক্তি পান তিনি। সাজার বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে যে আপিল করেছেন, সেটা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার তাজাল্লী ইসলাম বলেন, এবারের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪২টি। পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ৫১ জন, মহিলা ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৫৫৪জন ও হিজড়া ২ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৬০৭ জন। ২১মে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।