ঢাকা ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভোলা সদর হাসপাতালের পকেট গেট পকেটমারদের বাঁচার পথ 

অনন্ত হাসান মাসুদ, ভোলা : চাকচিক্যে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নিয়ম অনিয়মের বেড়াজালে পরিবেশ হয়েছে বাহিরে ফিটফাট ভিতরে সদর ঘাট। চতুর্পাশে সরকারি ভাবে দেয়াল থাকলেও হাসপাতাল প্রশাসনের খামখেয়ালীতে দেয়াল ভেঙে দুটো পকেট গেট করেছে বেশ কয়েকটি চোর চক্রের সদস্যরা। তবে এ নিয়ে ঘটনা এখানে শেষ নয় গেট থাকায় চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার বেশ সুযোগ রয়েছে।

এখন বিষয় হচ্ছে, সদর হাসপাতালে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন হাজার হাজার চিকিৎসা প্রার্থী। কখনো কারো মোবাইল চুরি হয়ে গেছে, আবার কখনো কারো ব্যাগ, আবার কারো প্রয়োজনীয় মালামাল। এমন কয়েক হাজার অভিযোগের বস্তা থাকলেও চোর চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে হাসপাতাল প্রশাসন। কারণ মূল গেটে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও চোর পালিয়ে যাচ্ছে পকেট গেটগুলো দিয়ে। যার কারনে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে চিকিৎসাপ প্রার্থীরা।

তবে এ নিয়ে কথা হয় জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার এ কে এম শফিকুজ্জামান এর সাথে । তিনি জানান এ বিষয়টি নিয়ে বিস্মিত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মূল গেট  ছারাও আলাদা দুটি পকেট গেট থাকায় চোরচক্র কিংবা অসাধু পন্থার লোকজন সেই গেট দিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি জানান খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে সেই অবৈধ গেট গুলো। যাতে নিরাপদ থাকে হাসপাতালে আসা চিকিৎসা প্রার্থীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি নদীপাড়ে আতঙ্ক বিরাজ

ভোলা সদর হাসপাতালের পকেট গেট পকেটমারদের বাঁচার পথ 

Update Time : ০৫:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

অনন্ত হাসান মাসুদ, ভোলা : চাকচিক্যে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, নিয়ম অনিয়মের বেড়াজালে পরিবেশ হয়েছে বাহিরে ফিটফাট ভিতরে সদর ঘাট। চতুর্পাশে সরকারি ভাবে দেয়াল থাকলেও হাসপাতাল প্রশাসনের খামখেয়ালীতে দেয়াল ভেঙে দুটো পকেট গেট করেছে বেশ কয়েকটি চোর চক্রের সদস্যরা। তবে এ নিয়ে ঘটনা এখানে শেষ নয় গেট থাকায় চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার বেশ সুযোগ রয়েছে।

এখন বিষয় হচ্ছে, সদর হাসপাতালে প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন হাজার হাজার চিকিৎসা প্রার্থী। কখনো কারো মোবাইল চুরি হয়ে গেছে, আবার কখনো কারো ব্যাগ, আবার কারো প্রয়োজনীয় মালামাল। এমন কয়েক হাজার অভিযোগের বস্তা থাকলেও চোর চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছে হাসপাতাল প্রশাসন। কারণ মূল গেটে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও চোর পালিয়ে যাচ্ছে পকেট গেটগুলো দিয়ে। যার কারনে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে চিকিৎসাপ প্রার্থীরা।

তবে এ নিয়ে কথা হয় জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার এ কে এম শফিকুজ্জামান এর সাথে । তিনি জানান এ বিষয়টি নিয়ে বিস্মিত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মূল গেট  ছারাও আলাদা দুটি পকেট গেট থাকায় চোরচক্র কিংবা অসাধু পন্থার লোকজন সেই গেট দিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি জানান খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হবে সেই অবৈধ গেট গুলো। যাতে নিরাপদ থাকে হাসপাতালে আসা চিকিৎসা প্রার্থীরা।